Tuesday, December 19, 2006

জামাতী বান্দরদের তপস্যা

বানরকে যাই বলুন না কেন, সে মুখ ভেংচে যাবেই। এটা হচ্ছে এর জন্মগত চরিএ। ক্ষমতার কলার মোহে রাজাকার জামাতীরা ধর্মকলা বেচে বানরীয় জীবন নির্বাহ করে। ধর্মের নাম দিয়ে এরা যোগ দিয়েছিল ৭১এর গণহত্যায়। হানাদার বাহিনীর দোসর রাজকার আল বদর জামাতী ও তাদের ঔরসজাতরা তাই বারবার চেস্টা করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে হালকা করে তাদের অপরাধবোধ থেকে নিস্কৃতি পেতে। কিন্তু তা কি সম্ভব? এরা কখনও ভাবে না, ৭১ সালের পরবর্তী সময়ে মুক্তিযোদ্ধারা যদি কচুকাটা শুরু করতো তাহলে এদের অনেকেরই পৃথিবীর আলো দেখা সম্ভব হতো না। সম্ভব হতো না ধর্মভিওিক রাজনীতির যুক্তিহীন উন্মাদনা ছড়ানো।

বারবার প্রশ্ন করা হলেও জামাতী বান্দর ও তাদের ঔরসজাতরা একবারও বলতে পারবে না, ৭১এ তাদের ঘৃণ্য কাজগুলোর জন্য তারা দু:খিত ও ক্ষমাপ্রার্থী। সামরিক জিয়া যে রাজাকাদের জন্য যে দুয়ার খুলে দিয়েছেন তার ধারাবাহিকতায় মৌলবাদী রাজকারদের বিস্ফোরণ ম্যালথুসীয় সূএকেও হার মানিয়েছে। আওয়ামী লীগ কি করেছে আর করেনি, তার বন্দনা করে তারা আনন্দ ও তৃপ্তি পায়। একবারও ভাবে না, আওয়ামী লীগ থাকা অবস্খায় এদেশে কোন রাজাকার পূনর্বাসন পায়নি। সম্ভব হয়েছে বংগবন্ধুর হত্যার পর পরই। মৌলবাদী রাজাকার জামাতী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য সামাজিক আন্দোলন দরকার। দরকার ৭১'এর ছবি ও চেতনাকে ছড়িয়ে দেওয়ার। মুক্তিযোদ্ধাদের রক্তের সাথে বেঈমানদের জায়গা বাংলার মাটিতে কখনও হবে না। আগে পরে তাদেরকে পাকিস্তানের মাটিতে হিজররত করে রিফিউজী হিসেবে ক্যাম্পবাসী হতে হবে। এদেরকে চিহ্নিত করে রাখুন, পরিচয় করিয়ে দিন সবাইকে এদের বাপ-চাচাদের ৭১'এর কুকীর্তির সাথে। সামাজিকভাবে এদের বয়কট করুন। একাওরের হাতিয়ার যে আরেকবার গর্জে উঠবে এ আমি নিশ্চিত। জামাতী বান্দররা ক্ষমতার কলা শরীরে ধারণ করে সাময়িক তৃপ্তি পেতে পারে, কিন্তু নিস্কৃতি না।

3 comments:

Sadiq M. Alam said...

keep it up!

Anonymous said...

হাইরে বাংগালি।
মুক্তি যোদ্দর কথা বলে দেশ টা রে ২ ভাগ করলে। তোমরা আসলে কি যাও। রাজাকার রাজাকার বলে ঘ্রণা কর আবার দেখি ভোট এলে তাদের নিয়ে দল কর।
মুখে তোমরা মুক্তি যোদ্দের সপ-ক্কের দল কিন্তু আজ দেখ লাম আওয়াম লীগ ও তাদের সাথে যোগ হল। আর বাকি রইল কি।
আমার শেষ কথা। যারা রাজাকার ছিল তাদের ঘ্রণা কর, যারা রাজাকার রাজাকার মুখে বলে আবার প্রয়োজনে রাজাকার দের সাথে হাত মিলায় তাদের ও ঘ্রণা কর। আর যাদের জন্ম ১৯৭১ এর পর তারা কেন রাজাকার হবে। তারা মুক্তি যোদ্দা ও নই।
জামাত শিবির করলে সেই যে রাজাকার হবে তা ঠিক না।
শাকিব, রিয়াদ

সাঈফ said...

আসলে নষ্টদের এই এক মনোরোগ। তারা মনে করে পুরো পৃথিবীটাই বুঝি নষ্ট হয়ে গেছে। তাদের আর কি দোষ ভাই , তাদের নেতৃত্বের মাথায় ই তো নষ্ট ঘুণ পোকার বাসা................


সাঈফ
অলিপুর/হাজিগঞ্জ/চাঁদপুর
salamsh@gmail.com